কেন “মার্জিত” সাইড হাস্টল বেশি টাকা দেয় নাঅনেকেই সাইড হাস্টল শুরু করে এক শব্দে থেমে যায়: “মার্জিততা”।
জ্ঞান‑বিক্রি? “কাটার” শব্দ শোনায় অমার্জিত। কন্টেন্ট রি‑মিক্স? “কম টেকনিক্যাল” বলে তাড়া দেয়। ভার্চুয়াল ডকুমেন্ট বিক্রি? “লো‑কোয়ালিটি” বলে ত্যাগ করে। ফলাফল? অন্যরা যে “কম‑মার্জিত” প্রকল্পে টাকা বানায়, সেটাই আমরা না করতে পারি।
সত্যটা সহজ: মোনিটাইজেশন গতি আর পোজিশন কতটা “সুন্দর” তা কোনো সম্পর্ক রাখে না। নিচের ৫টি “ময়লা” পদ্ধতি প্রত্যেকেই সম্পূর্ণ অপারেশনাল স্টেপ দেখায়।
দ্রষ্টব্য: শিরোনামে “মাসে ১ ...
কন্টেন্ট ব্যবসা
অপঠিতকিছুদিন আগে চীনের বিখ্যাত উদ্যোক্তা লুও ইয়ংহাও লাইভস্ট্রিমে সরাসরি আক্রমণ করলেন কনসাল্টিং ফার্ম হুয়া অ্যান্ড হুয়াকে — “৬ কোটি টাকার ফি নিয়ে ক্লায়েন্টকে শেখাচ্ছে শুধু ফাঁকা স্লোগান।” ঘটনাটা ট্রেন্ডিং-এ উঠে গেল। আরও মজার ব্যাপার, সোশ্যাল মিডিয়ায় হুয়া অ্যান্ড হুয়াকে নিয়ে সমালোচনা প্রতিবারই বিশাল এনগেজমেন্ট পায়। গাল দেওয়াটাই যেন একটা ট্রাফিক হ্যাক।
কিন্তু একটা প্রশ্ন করুন তো: গাল দিলে ট্রাফিক আসে কেন?
কারণ ইন্ডাস্ট্রির এক নম্বরকেই সবাই দেখতে চায়। যাকে কেউ গাল দেয় না, সে-ই আসলে দুঃখের। ...
১. সোজা কথা: Workbuddy কী, সুযোগটা কোথায়সোর্স পোস্ট অনুযায়ী Workbuddy একটা অফিস-কেন্দ্রিক AI অ্যাসিস্ট্যান্ট—Notion AI আর Zapier-এর হালকা ভার্সন। ডকুমেন্ট, শিট, ইমেইল, রুটিন, ডেটা—এই টুকরো কাজগুলো একটা চ্যাট উইন্ডোতে গুছিয়ে দেয়। পেছনে মেইনস্ট্রিম মডেল। ইউজারকে প্রম্পট মুখস্থ করতে হয় না; সাধারণ ভাষায় বললেই কাজ হয়। টার্গেট: এসএমই মালিক, কনটেন্ট টিম, দারাজ/ফেসবুক পেজ সেলার, আর যেসব চাকরিজীবী AI চান কিন্তু সেটআপে আটকে যান (সোর্স পোস্ট, স্বাধীন যাচাই হয়নি)।
ফারাক দুটো জায়গায়। এক: আনবক্ ...
লক্ষ লক্ষ মানুষ প্রতিদিন একটা ভয়ংকর অদক্ষ কাজ করছেচাকরির মৌসুমে একজন ফ্রেশ গ্র্যাজুয়েটের সাধারণ একটা দিন এমন: সকালে LinkedIn আর Bdjobs-এ দুই ঘণ্টা জব স্ক্রল করা, একই কভার মেসেজ কপি-পেস্ট করে পঞ্চাশ জায়গায় পাঠানো, বিকেলে আরেকটা পোর্টালে ঢোকা, আর রাতে শুয়ে ভাবা — আজ আসলে কোন কোন কোম্পানিতে অ্যাপ্লাই করলাম, কোন HR রিপ্লাই দিয়েছিল, কার ইন্টারভিউ কবে — কিছুই মনে নেই।
চাকরি খোঁজা আসলে একটা সেলস প্রসেস — আপনি প্রোডাক্ট, নিয়োগকারীরা কাস্টমার, অ্যাপ্লিকেশন হলো আউটরিচ, ইন্টারভিউ হলো কনভার্সন। কিন্ত ...
ডিজিটাল পণ্য
অপঠিতপুরনো খাতে নতুন ইঞ্জিন: জ্যোতিষ ব্যবসার আসল সমস্যা চাহিদা নয়, ডেলিভারিভাগ্য গণনা, ফেং শুই, সম্পর্কের ভবিষ্যদ্বাণী—এই ব্যবসা হাজার বছর ধরে চলে আসছে, চাহিদা কখনো কমেনি। Mercari-তে “পূর্ণাঙ্গ ভাগ্য বিশ্লেষণ” খুঁজুন, Lemon8-এ “চীনা জ্যোতিষ” সার্চ করুন, TikTok-এ ট্যারট লাইভ দেখুন—টাকা দিতে প্রস্তুত কাস্টমারের অভাব নেই। কিন্তু এই ব্যবসার একটি চিরন্তন সমস্যা আছে: ডেলিভারির মান সম্পূর্ণভাবে গুরুর ব্যক্তিগত দক্ষতার উপর নির্ভরশীল, স্ট্যান্ডার্ডাইজ করা যায় না, স্কেল করা যায় না। একজন জ্যোতিষী দিনে সর্বোচ ...
চোটো নাটকের বাজার এখন জ্বলছে। কিন্তু ক্রিয়েটরদের সবচেয়ে বড় সমস্যা—আইডিয়ার অভাব নয়, বরং প্রোডাকশন স্লো, খরচ বেশি, আর প্রাইভেসি রিস্ক। পুরনো পদ্ধতিতে হয় স্ক্রিপ্ট লিখে ভিডিও এডিট করতে হয়, নয়তো ক্লাউড AI সার্ভিসের ওপর ভরসা করতে হয়। একটাতে সময় লাগে কয়েকদিন, অন্যটাতে মাসিক সাবস্ক্রিপশন ফি শুনলেই চোখ কপালে ওঠে—আর ব্যবসার গোপন তথ্য ফাঁস হওয়ার ভয় তো আছেই। LocalMiniDrama এই সমস্যাগুলোর জন্যই তৈরি—একটি ওপেন সোর্স লোকাল AI চোটো নাটক টুল। গল্প তৈরি থেকে ভিডিও সিন্থেসিস—সব এক জায়গায়, নিজের AI ...
ইন্ডি ডেভেলপমেন্টে সবচেয়ে কষ্টের মুহূর্তটা টেকনিক্যাল সমস্যা না। প্রোডাক্ট লঞ্চের দিন আপনি ফেসবুকে পোস্ট দিলেন, কয়েকজন বন্ধু লাইক দিল, তারপর থেমে গেল। আপনি ভাবতে শুরু করলেন কোডটা কি খারাপ হলো, UI কি সুন্দর হয়নি, ফিচার কি কম পড়ল। কিন্তু সত্যিটা আরও কঠিন: আপনি শুরুতেই ভুল প্রশ্ন ধরেছেন। আপনার মাথা থেকে বানানো চাহিদাটার কোনো অস্তিত্বই নেই।
অনেক টেকনিক্যাল লোককে আমি এই জায়গায় পড়ে যেতে দেখেছি। তারা দারুণ কোড লিখতে পারে, সুন্দর ডিজাইন করতে পারে, কিন্তু চাহিদা আছে কি না সেটা যাচাই করতে একটা উইকে ...






